doc

 

 

হাসপাতালকে কেন্দ্র করেই চিকিৎসা ক্যারিয়ারের আবর্তিত হয়। রোগীর শারীরিক রোগ নির্ণয় এবং রোগের জন্য ওষুধ ও চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্রের জন্য প্রয়োজন একজন চিকিৎসকের, আর অপারেশন সম্পাদন জন্য প্রয়োজন সার্জন। এলোপ্যাথিক ঔষধ অধ্যয়ন ও গবেষণার এক বৃহত্তম এবং ব্যাপক ক্ষেত্র। একজন চিকিৎসক প্রায় চল্লিশ রকমের বিশেষজ্ঞ হওয়ার বিষয় থেকে তার পছন্দের বিষয়টি বেছে নিতে পারেন।

 

জব প্রফাইল


doctorসাধারণ ক্ষেত্রে একজন চিকিৎসক হলেন চিকিত্সাবিজ্ঞানে জ্ঞানি এবং একজন বিশেষজ্ঞ চিকিত্সাবিজ্ঞানের একটি বিশেষ শাখায় অভিজ্ঞ । মৌলিক ডিগ্রী (এমবিবিএস)পরে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার সর্বনিম্ন ৩ বছরের একটি প্রশিক্ষণ গ্রহন করেন। অতি বিশেষজ্ঞদের আরও গবেষণার প্রয়োজন হয়। বড় হাসপাতালগুলো বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও সার্জনদের অধীনে সব শাখায় চিকিৎসা সুবিধা প্রদান করে।

• চিকিৎসকেরা মেডিসিন এবং সার্জারি এর বিভিন্ন শাখায় বিশেষজ্ঞ হন এবং তারা বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা সম্বলিত হাসপাতাল, ক্লিনিক, নার্সিং হোম বা প্রতিরক্ষা বা সরকারি হাসপাতালে অনুরুপ চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন।

চিকিৎসকের কাজের বর্ননা

• রোগীদের রোগ প্রতিরোধ ও রোগ নিয়ন্ত্রণের শিক্ষাদান, রোগে নির্ণয় এবং চিকিৎসার জন্য ঔষধ প্রেসক্রাইব করা

সার্জন

• শরীরের সব অঙ্গে অপারেশন করা তবে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার শুধুমাত্র শরীরের বিশেষ অঙ্গে অপারেশন করেন।তারা সবচেয়ে জটিল প্রকৃতির অপারেশন সম্পাদন করেন।

ডাক্তাররা বিভিন্ন নন-ক্লিনিকাল শাখায় কাজ করেন যেমন এনাটমি ও ফিজিওলজি, প্রাণরসায়ন, মাইক্রোবায়োলজি , যা তাদের চিকিৎসার বিভিন্ন শাখায় অধ্যয়ন এবং গবেষণায় সাহায্য করে।

 

skill-12

 

কর্মসংস্থানের সুযোগ


• আত্ম কর্মসংস্থান

• সরকারি হাসপাতাল এবং ক্লিনিক

• বহুমাত্রিক বিশেষায়িত হাসপাতাল এবং নার্সিং হোম

• জাতীয় স্বাস্থ্য প্রকল্প

• প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র

• ব্যবসা প্রতিষ্ঠান

• শিল্প

• পরামর্শদাতা হিসাবে বিদ্যালয় এবং দূতাবাস

• সশস্ত্র বাহিনী

• রেল বিভাগ

 

নিয়োগদানকারী প্রতিষ্ঠান


hos

 

 

 

 

কিভাবে এ পেশায় আসবেন


doctor

 

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্যতা

১. আবেদনকারীদের বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে এবং এসএসসি বা সমমানের এবং এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষায়(জীববিজ্ঞান পদার্থবিদ্যা ও রসায়ন সহ)পাস হতে হবে।

২. যে বছর ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হবে শুধু ঐ বছর এবং তার পূর্ববর্তি বছরে পাস করা আবেদনকারীরা আবেদন জন্য যোগ্য।

৩. বাংলাদেশের সাধারণ প্রার্থীদের জন্য এসএসসি এবং এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় সর্বনিম্ন মোট জিপিএ ৮.০ ও বিদেশী শিক্ষা কার্যক্রমের জন্য প্রতিটি এসএসসি ও এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় সর্বনিম্ন জিপিএ ৩.৫ থাকতে হবে।

৪. সব উপজাতীয় প্রার্থী ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলার অ উপজাতীয় প্রার্থীদের জন্য এসএসসি ও এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় মোট. জিপিএ 7.0 থাকতে হবে। আবেদনকারীরা পৃথকভাবে পরীক্ষায় জিপিএ 3.00 পেলে তার আবেদন গ্রহণযোগ্য নয়, এই নিয়ম বেসরকারি মেডিকেল / ডেন্টাল কলেজ ভর্তির জন্য এবং বিদেশী ছাত্রদের জন্যও প্রযোজ্য।

৫. সব প্রার্থীদের এইচএসসি স্তরের জীববিজ্ঞানে জিপিএ ৩.৫ থাকতে হবে।

 

Untitled-1

 

Share Button
পড়া হয়েছে 2,420 বার

Back to Top