Career-as-biotech

 

 

কতগুলো কৌশলের সমষ্টি যা সজীব কোষের উপর প্রয়োগ করা হয় তাকে আমরা জৈবপ্রযুক্তি বলে। জৈবপ্রযুক্তিবিদরা একটি উন্নত মানের নির্দিষ্ট পণ্য উৎপাদনের জন্য এই সজীব কোষে কৌশল প্রয়োগ করেন। জীবপ্রযুক্তি হল মানবজাতির উপকারের জন্য উন্নত মানের একটি পণ্য উৎপাদনে মাইক্রোবিয়াল এবং আণবিক স্তরে প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহার করা ।জৈবপ্রযুক্তিবিদরা বিভিন্ন খাতে কাজ করেন যেমন – কৃষি, ওষুধ, চিকিৎসা, পরিবেশ ইত্যাদি।

 

জব প্রফাইল


bio-pic

• মূলত জৈবপ্রযুক্তিবিদরা বৈজ্ঞানিক গবেষনা পরিচালনার কাজে গবেষনাগারে নিযুক্ত হয়।

• জৈবপ্রযুক্তিবিদরা বিভিন্ন খাতে কাজ করেন যেমন -কৃষি, ওষুধ, চিকিৎসা, পরিবেশ, রাসায়নিক গবেষণা, শক্তি ব্যবস্থাপনা, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এবং শিল্প।

• জৈব প্রযুক্তিবিদদের কাজ অভ্যন্তরীন নিয়মানুবর্তিক যেখানে প্রয়োজন হয় বিভিন্ন শাখার বৈজ্ঞানিক গবেষকদের একসাথে কাজ করার যেমন- অনুজীববিদ্যা, ইমিউনোলজি, আণবিক, জীববিদ্যা, জেনেটিক্স, প্রাণরসায়ন, রসায়ন, খাদ্য বিজ্ঞান, কৃষি ও প্রকৌশলসহ অন্যান্য ইনপুট এর সাথে যেমন ব্যবস্থাপক, অর্থনীতিবিদ, রাজনীতিবিদ ,নীতি নির্ধারক, আইন ইত্যাদি ।

• কৃষিক্ষেএে আধুনিক জৈবপ্রযুক্তিবিদরা ফসল, গৃহপালিত পশু, বনজ ও মৎস্য উন্নতির জন্য গবেষণা করেন। তাদের কাজ হল কৃষি রাসায়নিক পদার্থের উপর নির্ভরতা কমানোর সাথে সাথে উৎপাদনশীলতা, গুণমান, দক্ষ প্রক্রিয়াকরণ এবং পণ্য ব্যবহার বৃদ্ধির জন্য জৈব প্রযুক্তিগত কৌশল উদ্ভাবনে জড়িত থাকা। জৈব প্রযুক্তিবিদদের দ্বারা জৈব কীটনাশক, জৈব রাসায়নিক পদার্থসমূহ এবং টিস্যু কালচার উন্নয়নের মাধ্যমে কৃষিতে বৈজ্ঞানিক বিপ্লব ঘটেছে।

• জৈবপ্রযুক্তিবিদরা চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য সম্পর্কিত গবেষণার কাজ করেন।

• জৈবপ্রযুক্তিবিদরা ঔষধতত্ব গবেষণা, উন্নয়ন , প্রয়োগ করে নতুন ভ্যাকসিন, এবং ডায়গনিস্টিক পদ্ধতি আবিষ্কার করছেন।
• পরিবেশগত জৈবপ্রযুক্তি অনেক বিশ্লেষণাত্মক এবং ডায়গনিস্টিক কৌশল ব্যবহার করে নিকাশী পুনর্ব্যবহার এবং জীবাণুর প্রক্রিয়া শিল্প বর্জ্য প্রক্রিয়াকরনের জন্য ব্যবহার করা হয়।

• কৃষি, প্রাণী ও মানুষের জেনেটিক উন্নয়ন এ কাজের একটি ব্যাপক এলাকা।

 

skill-bio

 

 

 জৈবপ্রযুক্তিবিদের উপর একটি ভিডিও ক্লিপ

 

কর্মসংস্থানের সুযোগ


জৈবপ্রযুক্তিবিদদের অধিকাংশ কাজ গবেষণা ভিত্তিক এবং অধিকাংশ জৈব প্রযুক্তিবিদদের জৈবপ্রযুক্তি বিষয়ক কাজের সাথে জড়িত প্রতিষ্ঠান এবং শিল্প গবেষণা ও উন্নয়ন বিভাগের নিযুক্ত করা হয়। জৈবপ্রযুক্তিবিদরা এই শিল্পের উৎপাদন বিভাগে ব্যাপকভাবে কাজ করে থাকে। সাধারণত উৎপাদন কাজের জন্য তাদের প্রাধান্য দেয়া হয় যারা প্রকৌশল বিভাগের জীবপ্রযুক্তির ছাত্র । কিছু শিল্প প্রতিষ্ঠান তাদের বাজারজাতকরন বিভাগে জৈবপ্রযুক্তিবিদদের নিয়োগ দেন যে খাতগুলোতে তাদের পন্যের প্রয়োজনীয়তা বেশি সেগুলোর ব্যবসায়িক উন্নতির জন্য। জৈবপ্রযুক্তিবিদরা খাদ্য, রাসায়নিক পদার্থ, জৈব প্রক্রিয়াজাত পণ্য ইত্যাদি উৎপাদন শিল্পে কাজ করে। তাদের জেনেটিক্স, প্রাণরসায়ন ও জৈবরাসায়নিক প্রকৌশল এবং যেখানে এগুলো প্রয়োগ করা হয় তার গবেষণার কাজে নিয়োগ করা হয় ।

সরকারি গবেষনাগারগুলো বৈজ্ঞানিক গবেষক নিয়োগ করে। বেসরকারি খাতে প্রযুক্তিগত এবং প্রশাসনিক পদ চালু করা হয়েছে। শিক্ষাবিদ জৈব প্রযুক্তিবিদরা সামুদ্রিক জৈব কারিগরি, জৈব চিকিৎসা, পৃথিবী বিজ্ঞান, বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং, কৃষি ও পরিবেশ জৈবপ্রযুক্তি ইত্যাদি বিভাগের মধ্যে কাজ খুঁজে থাকেন।

 

কিভাবে এ পেশায় আসবেন


 

How-do-I-ge
 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

জৈবপ্রযুক্তি হচ্ছে আন্তঃশাস্ত্রীয় বিষয় যা বিভিন্ন পরিমণ্ডলকে বোঝায়,ফলে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের একাডেমিক ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে বায়োটেকনোলজিতেপোষ্টগ্রাজুয়েট করতে পারে।

* উদ্ভিদবিজ্ঞান, প্রাণিবিজ্ঞান, বায়োকেমিস্ট্রি, মাইক্রোবায়োলজি, জেনেটিক্স, ফিজিওলজি,  ফারমাকোলজি এবং বায়োফিজিক্স

 

 

Share Button
পড়া হয়েছে 322 বার

Back to Top