মালয়েশিয়ার পর্যটন স্থান

মালয়েশিয়া বিশ্বের সেরা পর্যটন গন্তব্যস্থলগুলোর মধ্যে একটি।দ্রুত প্রযুক্তিগত বৃদ্ধির সঙ্গে উদ্ভিদকুল ও প্রাণিকুলের এক অপরূপ জাদুঘর এটি।ক্রান্তীয় দ্বীপ থেকে শুরু করে পাহাড়ি স্টেশন, সমুদ্রসৈকতে
জাতীয় উদ্যান, বিশ্বের প্রাচীনতম ট্রপিকাল রেনফরেস্ট থেকে অত্যন্ত উচ্চ প্রযুক্তির শহর কুয়ালালামপুরের দেশ মালয়েশিয়া।যা বিশ্বের অন্যতম স্বনির্ভরশীল দেশগুলোর মধ্যে একটি।

মালয়েশিয়ান প্রধান কিছু পর্যটন আকর্ষণের তালিকা নীচে দেয়া হল

 পেট্রোনাস টুইন টাওয়ার

কুয়ালালামপুরের টুইন টাওয়ার ১৯৯৮-২০০৪ সময়কালে বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা টাওয়ার ছিল।এই টাওয়ারটি মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরের একটি ল্যান্ডমার্ক।

 সানওয়ে লেগুন বা উপহ্রদ থিম পার্ক

সানওয়ে লেগুন থিম পার্ক একটি চমৎকার পার্ক।এটা ২৯শে এপ্রিল,১৯৯৩ সালে শুরু হয়েছিল। এটি কুয়ালালামপুর শহর থেকে ২০ মিনিটের দূরে অবস্থিত এবং মালয়েশিয়ার প্রথম ওয়াটার বা জল থিম পার্ক। পার্কে ভিতরের শপিং মলটি পিরামিড হিসাবে পরিচিত যা পার্কের ভিতরে বিভিন্ন আকর্ষনীয় কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে।

সুলতান সালাউদ্দিন আব্দুল আজিজ শাহ মসজিদ

এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম মসজিদ। শাহ আলম হ্রদ দ্বারা পরিবেষ্টিত, সুন্দর ইসলামিক স্থাপত্যশিল্প এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশের জন্য এটি পর্যটকদের অন্যতম ভ্রমণের স্থান।
মালয়েশিয়ায় অসংখ্য পর্যটক আকর্ষণ আছে।ভ্রমণের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মালয়েশিয়ান পর্যটন স্থানগুলো নিচের তালিকায় দেয়া হলঃ

কুয়ালালামপুর

কুয়ালালামপুর মালয়েশিয়ার রাজধানী।শহরটি তার সংস্কৃতি সংরক্ষণে জাতিগত স্পর্শের সঙ্গে আধুনিক জীবনধারা একটি অনন্য মিশ্রন। দেখার জন্য আকর্ষণীয় কিছু স্থান হচ্ছেঃ পেট্রোনাস টুইন টাওয়ার, মেনারা কেএল টাওয়ার, বাটু গুহা, চীনাপাড়া, সেন্ট্রাল বাজার, লিটল ভারত এবং কুয়ালালামপুর বার্ড পার্ক।

ক্যামেরুন পার্বত্য অঞ্চল

১৮৮৫ সালে উইলিয়াম ক্যামেরুনের নামানুসারে ক্যামেরুন পার্বত্য অঞ্চলের নামকরন হয়েছে। এটি মালয়েশিয়ার প্রধান পর্যটন স্পটগুলোর মধ্যে একটি। সুন্দর পাহাড় এবং সবুজ উপত্যকা দ্বারা পরিবেষ্টিত ক্যামেরুন অঞ্চল শহুরে জীবন থেকে দূরে যাওয়ার জন্য উপযুক্ত।

সারাওয়াক

সাদা রাজহাঁস এবং ওরাংওটাং সারাওয়াকের প্রধান আকর্ষণ। এটি বোর্নিও দ্বীপে অবস্থিত। নিয়াহ ন্যাশনাল পার্ক, মুলু ন্যাশনাল পার্ক, পিন্নাকলস, রবিবারের খোলা বাজার, গ্রামের সংস্কৃতি, সারাওয়াকের গুহা এবং সান্টুবঙে মাছধরা এর প্রধান আকর্ষণ।
পেনাং
আংশিক চীনা সম্প্রদায় দ্বারা পূর্ণ,ভ্রমণকারীরা পেনাং এর সর্বত্র ধূপ এবং মন্দির দেখতে পাবেন। ‘অবশ্যই করণীয়” বৈচিত্র্যময় স্থানীয় খাবার খুঁজে বের করা,বিশ্ব ঐতিহ্য স্থাপত্যশিল্প দেখা,বাটু ফিরিঙ্গি সমুদ্র সৈকতে সূর্য স্নান করা।

তামান নেগারা

পার্শ্ববর্তী গভীর বনের মধ্যে জঙ্গল ট্র্যাকিং, হাতি ট্র্যাকিং করা যেতে পারে তবে তা অবশ্যই জোঁক-নিরোধ জুতা নিয়ে।কেন্যির লেকে কায়াকিং করা । মাছ ধরা এবং জ্ঞান লাভের জন্য এন্ডাও রোম্পিং( Endao Rompin) ন্যাশনাল পার্কেও যাওয়া যেতে পারে।

পুলাউ রেডাং,পারহেন্টিয়ান,কাপাস বা টিযমন

এই পূর্ব উপকূলীয় দ্বীপে স্কুবা ডাইভিং , লাইভ কোরাল ছবি তোলার এবং সূর্যাস্ত দেখার জন্য সবচেয়ে ভাল।আর যদি ভাগ্যবান হন তবে সমুদ্র তীরে কচ্ছপের ডিম পাড়ার সাক্ষী হতে পারেন।

মেলাকা

এই ঐতিহাসিক শহরে পর্তুগিজ, নেদারল্যান্ড, এবং স্প্যানিশ থেকে উত্তরাধিকারসুত্রে পাওয়া অনেক প্রাচীন স্থাপত্যকলা ও সংস্কৃতি আছে। পর্যটকরা স্থানীয় পাপা এবং নন ইয়াস সম্প্রদায়ের উপর আরো জানার সুযোগ পাবেন।

Share Button
পড়া হয়েছে 925 বার

Back to Top